বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

দ্রুত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের দাবি তরুণদের

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত তারুণ্যের সমাবেশ ও ইয়ুথ মার্চ থেকে দ্রুত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন এবং তামাক কোম্পানির সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাতিলের জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। শনিবার (২৩ আগস্ট) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে শাহবাগে এসে শেষ হয় এ কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, “তামাক যে ক্ষতিকর তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তাই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের দাবিতে তরুণদের আন্দোলনের সঙ্গে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি।”

সমাবেশে অংশ নেওয়া তরুণ বক্তারা জানান, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যায় এবং অসংখ্য মানুষ অসুস্থ হয়। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তামাক ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে, যা জাতির ভবিষ্যতের জন্য হুমকি।

তারা সম্প্রতি তামাক কোম্পানির সঙ্গে উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি)-এর ৫.৩ ধারা লঙ্ঘন। ওই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বা নীতি প্রণয়নে তামাক কোম্পানির মতামত গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ এফসিটিসি’র স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে এই অঙ্গীকার রক্ষায় বাধ্য।

সমাবেশ থেকে সরকারের প্রতি দুই দফা দাবি উত্থাপন করা হয়—

১. উপদেষ্টা কমিটির তামাক কোম্পানির সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।

২. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী দ্রুত পাস করতে হবে।

এ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, ডর্প, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, নারী মৈত্রী, পিপিআরসি, প্রজ্ঞা, তাবিনাজসহ বিভিন্ন তামাকবিরোধী সংগঠন। সমাবেশ শেষে প্রায় ১০ হাজার যুব প্রতিনিধির স্বাক্ষর সংবলিত দাবি–সমূহ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রতিনিধির কাছে হস্তান্তর করা হয়।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন