বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাবলু দত্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, দুইজন গ্রেফতার: কেএমপি

খুলনা, ২৮ জুন ২০২৫

খুলনার হরিণটানা থানাধীন কৈয়া বাজার এলাকায় বাবলু দত্ত হত্যাকাণ্ডের রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটন করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। এ ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি, দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেল।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৬ জুন ২০২৫ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯.০০টায় বাদী দিপু দত্ত ও তার বাবা দোকানে যান। সন্ধ্যায় বাবলু দত্ত দোকান থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন। রাত ১১.০০টার দিকে প্রতিবেশী বৃত্তান্ত (২৮) ফোন করে জানান, দেবাশীষের মেহগুনি বাগানের পাশে রাস্তার উপর বাবলু দত্তের মোটরসাইকেল দীর্ঘ সময় ধরে রাখা আছে। বাদী ও তার ধর্ম মামা সুমন শেখ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরসাইকেলটি পেলেও বাবলু দত্তকে খুঁজে পান না। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মেহগুনি বাগানের ভেতর ২০-২৫ গজ ভিতরে বাবলু দত্তের গলা কাটা রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হত্যার রহস্য উদঘাটনে কেএমপি তৎপরতা শুরু করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হরিণটানা থানা পুলিশ কৈয়া বাজার এলাকা এবং খুলনা জেলার ফুলতলায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো—

১) সুমন শেখ (৪৫), পিতা-মোঃ রুস্তম শেখ, সাং-বাদুরগাছা, থানা-ডুমুরিয়া, জেলা-খুলনা এবং

২) মুক্তি মোল্যা (৫৩), পিতা-শামছুর মোল্যা, সাং-জামিরা মোল্যাপাড়া, থানা-ফুলতলা, জেলা-খুলনা।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে। তাদের দেখানো মতে রাজবাধ দক্ষিণপাড়াস্থ অরুণ বাবু ও প্রদীপ বাবুর প্লটের পাশের খালের পানি থেকে দুটি ধারালো চাপাতি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাদের হেফাজত থেকে দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে।

থানা রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, গ্রেফতারকৃত সুমন শেখের বিরুদ্ধে পূর্বে দুটি মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কিনা, তা যাচাই করা হচ্ছে। এছাড়া এ হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন